পড়ার প্রতি মানুষের আগ্রহ সেই লিখন পদ্ধতি আবিষ্কারের সময় থেকে আজ
পর্যন্ত অটুট আছে। বইয়ের প্রতি মানুষের ভালোবাসা যে কি পরিমাণে তা ফেসবুক দেখলেই
বোঝা যায়। আজকালকার দিনের ছেলে মেয়েরা আর সেভাবে বই পড়ে না। পাবলিক লাইব্রেরী কি
জিনিস তা বলতে পারবে বলে আমার মনে হয় না। অবশ্য চাইলে আজকাল নিজের মোবাইল থেকেই
বিশাল বইয়ের রাজ্যে ঘুরে আসা যায়। আমার কৈশোরে ফেসবুক সেভাবে বিস্তার লাভ করেনি।
অখন্ড অবসর আমি বইয়ের পাতায় নাঁক গুঁজে কাটিয়ে দিয়েছে। সেরকম বই পোকা ছিলাম আমি।
এখন অবাক লাগে অত ধৈর্য্য আমি পেতাম কোথায়! তবে কাগজের বই আমার সামনে বিশাল এক
দুনিয়া উন্মোচন করেছিলো, ভার্চুয়াল বই তার থেকেও সুবিশাল দুনিয়া হাজির করেছে। তবে
ভার্চুয়াল বইয়ের আবেদন আমার কাছে কম মনে হয়। খুব দ্রুত পড়া যায় বলে মরমে গিয়ে পশার
আগেই পাতা শেষ হয়ে যায়। আস্ত বিস্কুট মুখে পুরে চিবানো আর একটু একটু কামড়ে খাওয়ার
স্বাদ যেমন আলাদা তেমনি কাগজের বই এবং ই-বই পড়ার স্বাদও আলাদা। ই-বই এখন অনেক
সহজলভ্য। চাইলে নেট থেকে পিডিএফ কপি নামিয়ে নেয়া যায়। আজকালকার স্মার্ট ফোনগুলোতে
চমৎকার পিডিএফ বই পড়া যায়। আর কিছু বইপাগল মানুষ নিঃস্বার্থভাবে প্রতিদিন কোন না
কোন বই ভার্চুয়াল জগতে আপলোড করে যাচ্ছে। বই পড়ার অভ্যেষ করুন হোক সে মোবাইলের
স্ক্রিণে, ল্যাপটপের মনিটরে অথবা কাগজের পাতায়।
আমি মাঝে মাঝে বই পড়ি। অফিসের ফাঁকে অবসরে টুক করে মানিক
বন্দ্যোপাধায়ের একটা ছোট গল্প কি বিভুতিভূষণের উপন্যাসের এক অধ্যায়। অনেককে বলতে
শুনি, ধ্যুর! এভাবে হয় নাকি! সদিচ্ছা থাকলে সব হয়। আমি ঠিক করেছি আপনাদের সাথে
মাঝে মাঝে কিছু ই-বইয়ের ডাউনলোড লিংক শেয়ার করে যাবো। অতি কচকচানি এখন রাখি।
ডিরেক্ট ডাউনলোড দিচ্ছি। পছন্দ হলে নামিয়ে রাখুন। পরে সময় করে পড়বেন।
ডাউনলোড করতে ছবিতে ক্লিক করুনঃ
১। সাইলাস মারনার
২। চাচা চৌধুরী আর রল্টন পল্টন
৩। চাচা চৌধুরী আর সবুর বাট
৪। চাচা চৌধুরী আর স্কাই ড্রাইভার
৫। চাচা চৌধুরী আর তেরঙ্গা
৬। চাচা চৌধুরী আর ডেডলি ড্যান
৭। আগমনী
৮। তিনগোয়েন্দাঃ কঙ্কাল দ্বীপ
৯। তিনগোয়েন্দা সিরিজের বই ছায়াশ্বাপদ মমি রত্নদানো
এবং সবশেষে একটি ইসলামী বই
১১। লা ইলালা ইল্লাল্লাহ এর অর্থ।
Post a Comment