যুদ্ধ বরাবরই অনাকাংখিত একটি ঘটনা। সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ সবসময় বলে চলেছে যুদ্ধ নয় শান্তি চাই। তবুও মানব জাতির ইতিহাসের সাথে যুদ্ধের ইতিহাস ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বিগত শতাব্দীতে দুটি বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হয়। কিছু সাহসী সাংবাদিক যুদ্ধকে ক্যামেরার ফ্রেমে বন্দী করার দুঃসাহস দেখিয়েছিলেন। তাদের কল্যাণের আজ আমরা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে চাক্ষুষ করতে পারছি। একেকটি ছবি যেন একেকটি ছোট গল্প।
ভিনদেশী বাচ্চাদের ছবি যা আপনার ভালো লাগতে পারে
শিশুদের ভালো লাগে না এমন মানুষ খুব অল্পই আছে। বাচ্চাদের অভিব্যক্তি পবিত্র এবং নিষ্কলুষ। আজ নেট ঘেটে আপনাদের জন্য ভিনদেশী কিছু বাচ্চাদের ছবি প্রকাশ করছি। আমার বিশ্বাস তাদের সারল্য আপনাকে মুগ্ধ করবেই।

অরলি - টেক্সাস, যুক্তরাষ্ট্র

পুপুট - বালি , ইন্দোনেশিয়া

বেথিসাইডা - পোর্টেয়াও প্রিন্স, হাইতি

আরাফে এবং আয়েশা - আমান, জাঞ্জিবার

লুকাস - সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

মাউডি - সিবান্দা, জাম্বিয়া

পাভেল - ডেভিনসন, কিয়েভ

চিওয়া - মা্লাবি

স্টেলা - ইতালী

নায়া - নিকারাগুয়া

অরলি - টেক্সাস, যুক্তরাষ্ট্র

পুপুট - বালি , ইন্দোনেশিয়া

বেথিসাইডা - পোর্টেয়াও প্রিন্স, হাইতি

আরাফে এবং আয়েশা - আমান, জাঞ্জিবার

লুকাস - সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

মাউডি - সিবান্দা, জাম্বিয়া

পাভেল - ডেভিনসন, কিয়েভ

চিওয়া - মা্লাবি

স্টেলা - ইতালী

নায়া - নিকারাগুয়া
পৃথিবীর দশ সেরা ঐতিহাসিক স্থাপনা
ছেলেবেলায় স্কুলে পড়ার সময় সপ্তাচার্যের নাম মুখস্থ করতে হতো। অচেনা নামগুলোর মাঝে তাজমহলকে তখন খুব আপন মনে হতো। ছোট বেলায় আমার এমন একটা ফিলিংস ছিলো যে , ঈশ! তাজমহলটা ভারতে না হয়ে বাংলাদেশে কেন হলো না। আজ আমি আপনাদেরকে বলবো পৃথিবীর সেরা দশটি মনুমেন্টের কথা। দশাশ্চর্য বললেও মন্দ হবে না। শুরুতেই থাকছে তাজমহলের চির চেনা সেই ছবিটি।

বর্তমান পৃথিবীকে আমরা বলে থাকি মডার্ণ ওয়ার্ড, আধুনিক বিশ্ব। অথচ প্রাচীন বিশ্বের মানুষেরা তাদের সীমিত ইঞ্জিনিয়ারিং জ্ঞান নিয়ে এমন কিছু স্থাপনা গড়ে গেছে যার নান্দনিক সৌকর্য্য আমাদেরকে আজো মুগ্ধ করে।
১০. হাজিয়া সোফিয়া, তুরস্কঃ ৫৩২ সালে এটার নির্মাণ কাজ শুরু হয়। প্রথম দিকে এটি একটি ব্যাসিলিকা ছিলো। পরে মুসলমান শাসকেরা এটিকে মসজিদে রূপান্তর করেন। বর্তমানে স্থাপণাটি জাদুঘর হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
১০. হাজিয়া সোফিয়া, তুরস্কঃ ৫৩২ সালে এটার নির্মাণ কাজ শুরু হয়। প্রথম দিকে এটি একটি ব্যাসিলিকা ছিলো। পরে মুসলমান শাসকেরা এটিকে মসজিদে রূপান্তর করেন। বর্তমানে স্থাপণাটি জাদুঘর হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
৯. পেট্রা, জর্ডানঃ পাথরে ঘেরা পেট্রা নগরীকে বলা হয় মরু গোলাপ। খ্রিস্টপূর্ব ৯ সাল থেকে ৪০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এটি নাবিতিয় রাজ্যের রাজধানী ছিলো।
৮। গিজার পিরামিড, মিশরঃ পৃথিবীর সপ্তাশ্চার্যের সব থেকে প্রাচীন স্থাপনা হচ্ছে পিরামিড। গিজা নিয়োপোলিসে অবস্থিত পিরামিডটি সব থেকে বড়।
৭। মাচ্চু পিচ্চু, পেরুঃ ইনকা সভ্যতার এই নগরী পঞ্চদশ শতাব্দীতে নির্মিত হয়।
৬. কলোসিয়াম, ইতালিঃ ৭০ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত কলোসিয়াম রোমান সাম্রাজ্যের স্মৃতি বহণ করে চলেছে। কলোসিয়াম মূলত ৫০,০০০ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন স্টেডিয়াম বিশেষ যেখানে গ্লাডিয়েটরেরা একে অন্যের সাথে আমৃত্যু লড়াই করত।
শ
৫। চিচেন ইতজা, মেক্সিকোঃ ৭৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এই নগরী মায়া সভ্যতার কেন্দ্রবিন্দু ছিলো। এখানে অবস্থিত কুকুলকানের প্রার্থণাগৃহ একটি বিখ্যাত স্থাপণা।
৪. ওয়াত ফ্রা সি স্যানফেত, থাইল্যান্ডঃ রাজকীয় এই মন্দিরটি ১৪৪৮ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত হয়।
৩. মোয়াই। এস্টার দ্বীপঃ রাপা নুই মনুষ্যাকৃতির এই মনোলিথিক ভাষ্কর্য ১২৫০ থেকে ১৫০০ সালের মধ্যে নির্মিত হয়েছে। বিজ্ঞানীগণ এখনো নিশ্চিত নন যে বিশালাকৃতির মূর্তি কিভাবে নির্মাণ করা হয়েছে বা কিভাবে এখানে বহন করে আনা হয়েছে।
২. এঙ্কর ওয়াত, কম্বোডিয়াঃ সৌধটি ১২০০ শতাব্দীতে নির্মিত হয়েছে। এটি পৃথিবীর সব থেকে বড় হিন্দু মন্দির। এমনকি এটি পৃথিবীর সব থেকে বড় ধর্মীয় মন্দির।
১. তাজমহল, ভারতঃ তাজমহল দিয়ে শুরু করেছিলাম, তাজমহল দিয়েই শেষ করছি। সম্রাট শাহ জাহান তার প্রিয়তমা স্ত্রীর স্মৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে আগ্রার যমুনা নদীর তীরে সাদা মার্বেল পাথরের এক ইমারত নির্মাণ করেন। মূলত এটি কবর হলেও সারা বিশ্বের মানুষের কাছে এটি ভালোবাসার মূর্ত প্রতীক।
মানুষ মরে গেলে পঁচে যায়, বেঁচে থাকলে বদলায়। কারণে অকারণে বদলায়। কিন্তু কিছু কিছু মানুষের কর্ম তাকে আজীবন বাঁচিয়ে রাখে।
পৃথিবীর সেরা দশটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য
পৃথিবীর সব থেকে আকর্ষনীয় স্থান কোনটি। এই প্রশ্নে বিতর্ক আসাটাই স্বাভাবিক। কারণ রুচি, দেখার ধরণ ভেদে মানুষে মানুষে সৌন্দর্যের সংজ্ঞা আলাদা। আমি আমার দৃষ্টিকোন থেকে পৃথিবীর দশটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যমন্ডিত স্থানের ছবি এবং সাথে কিঞ্চিত বর্ণনা দিলাম। উল্লেখ্য ছবিগুলো নেট থেকে সংগৃহীট। কারণ আমার ওখানে যাওয়ার সাধ্য এবং সাহস এখনো হয়ে ওঠেনি।
১. ফ্লাউ গেসের, নেভাদা, যুক্তরাষ্ট্র
এটা এক শত ভাগ প্রাকৃতিক কিনা সে বিষয়ে আমি শিওর নই। ১৯৬৪ সালে এক দুর্ঘটনায় ভূর্গভস্থ মিনারেল উপরিভাগে উঠে এসে এই নান্দনিক আকার ধারণ করে।২. গ্রেট ব্লু হোল, বেলিজ
অনেকের কাছে কৃত্রিম মনে হলেও এই নীল গর্তটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্টি হয়েছে। গর্তটি ৩০০ মিটার চওড়া এবং ১২৫ মিটার গভীর। এটি পৃথিবীর স্কুবা ড্রাইভিংয়ের সেরা স্থানসমূহের অন্যতম।৩. প্লিটভিছার সিন, ক্রোয়েশিয়া
এটি মূলত ক্রোয়েশিয়ার একটি লেক। একটি লেক না বলে একাধিক লেকের সমষ্টি বললেই ভালো হবে। ধাপে ধাপে ১৬ টি লেক সাজানো যা একটি অন্যটির সাথে ঝর্ণার মাধ্যমে যুক্ত। দর্শনার্থীগণ পায়ে হেঁটে অথবা নৌকায় করে পুরো লেক ঘুরে দেখতে পারবেন।৪. জ্যানগি ড্যানক্সিয়া, চীন
চীনের জ্যানগি ড্যানজিয়ার আছে রঙিন পাথুরে পাহাড়শ্রেণী । লক্ষ লক্ষ বছর ধরে এই পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে।৫. Striped আইসবার্গ,এন্টার্কটিকা
সাদা এবং নীল স্ট্রাইপের সৌন্দর্য দেখতে হলে আপনাকে অবশ্যই এন্টার্কটিকা যেতে হবে। নীল সমুদ্র, সাদা বরফের পাহাড় এর মাঝে কোথাও কোথাও নীল সাদা স্ট্রাইপের সৌন্দর্য্য আপনার চোখে ধরা দেবে।৬. নরকের দুয়ার, তুর্কমেনিস্তান
তুর্কমেনিস্তানের কারাকোম মরুভূমিতে দ্যা ডোর অফ হেল বা নরকের দুয়ার নামক স্থানটি অবস্থিত। ভূপৃষ্ঠের উপরকার এই স্থানটিতে বিগত ৪০ বছর ধরে আগুন জ্বলছে।৭. আলাবাস্টার কোস্ট ( কোট ডে'আলবাট্রে), ফ্রান্স
ফান্সের আলাবাস্টার উপকূল জুড়ে ৮০ মাইল দীর্ঘ এবং ১০০ মিটার উচ্চ চক সাদা ক্লিফ অবস্থিত। এই ক্লিফ ভ্রমণপিপাসু মানুষদের মুগ্ধ করে।৮. ব্রাইস ক্যানিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র
এটি আমেরিকার উটাহ অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২০০০ মিটার উচ্চে অবস্থিত এই ক্যানিয়ন। ক্যানিয়ন নাম হলেও এটি আসলে কোন ক্যানিয়ন নয়। এখানে পিরামিড সদৃশ পাথর পাওয়া যায়।৯. সালার ডে উয়ুনি, বলিভিয়া
এটি পৃথিবীর সব থেকে বড় জমাটবদ্ধ লবন পানির হ্রদ। আয়তন ১০৫৮২ বর্গ কিলোমিটার। এখানে জমাটবদ্ধ বরফ এতটাই স্বচ্ছ যে আয়নার মত নিজের প্রতিবিম্ব দেখা যায়। .১০. পামুক্কালে, তুরস্ক
তুরস্কের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে ডেনিজলি প্রদেশে এই পামুক্কালে নামক স্থানটি অবস্থিত। সাদা নীলের অপার সৌন্দর্য্য নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে স্থানটি।many more people to admire.
ভালোবাসার ছবিমালা
বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ১৪ ফেব্রুয়ারী। সবারই ভালোবাসতে ইচ্ছে করে। হয়তো সবার ভালোবাসার মানুষ নেই। ভালোবাসা দিবস উপলক্ষ্যে আমি আজ কিছু ছবি প্রকাশ করছি।

















