আমার আব্বুর ছোট একটা লাইব্রেরী
ছিলো। ট্রাঙ্কের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিলো সেই গ্রন্থাগার। দশ বারো খানা বইয়ের
সংগ্রহ। চুপিসারে ট্রাঙ্কের তালা খুলে এই লাইব্রেরী থেকে বই বের করে আব্বু
আম্মুর অজ্ঞাতসারে আমি আউট বই পড়তাম। বইগুলো পড়া হলে আবার শুরু করতাম।
সেখানে ছিলো শ্রীকান্ত প্রথম খন্ড, বিষাদ সিন্ধু, অবরোধবাসিনী, উন্নত জীবন,
মানব জীবন, মহাজীবন। এই বইগুলো বিশেষ করে শ্রীকান্ত এবং বিষাদ সিন্ধু আমাকে বইয়ে মজা পেতে উদ্বুদ্ধ করেছে।
|
পৌষ ফাগুনের পালা - গজেন্দ্রকুমার মিত্র
পৌষ ফাগুনের পালা ঔপন্যাসিক গজেন্দ্রকুমার মিত্রের ত্রিপিটক উপন্যাস, খাস ইংরেজিতে যাকে বলে 'ট্রিলজি'। কলকাতার কাছেই', 'উপকণ্ঠে' এবং সবশেষে 'পৌষ-ফাগুনের পালা' দিয়ে এই তিন উপন্যাসের সার্থক যবনিকা। পৌষ-ফাগুনের পালা ১৯৬৪ সালে রবীন্দ্র পুরুস্কার পায় এই উপন্যাস অবলম্বনে আফসানা মিমির পরিচালনায় একই নামে এটিএন বাংলায় ধারাবাহিক নাটক প্রচারিত হয়। |
 |
পা ঞ্চ জ ন্য - গজেন্দ্রকুমার মিত্র
গজেন্দ্রকুমার মিত্রের জন্ম ১১ই নভেম্বর, কলকাতা শহরেই | বাল্যশিক্ষা শুরু হয় কাশীর অঙ্গলোবেঙ্গলী স্কুলে | কলকাতায় ফিরে এসে ঢাকুরিয়া অঞ্চলে গজেন্দ্রকুমার বসবাস শুরু করেন।
|
|
গাধা - সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাথে আমার পরিচয় হয় পালামৌ ভ্রমনের মধ্য দিয়ে। তখনো জানতাম না যে তিনি বঙ্কিমচন্দ্রের মেজো ভাই। হ্যাঁ আমাদের অতি পরিচিত বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ভাই ইনি। ইনাদের বড় ভাইয়ের নামটি খুব একটা উল্লেখ করেন না। তার নাম শ্যামাচরণ চট্টোপাধ্যায়। শ্যামাচরণের কোন সাহিত্য প্রতিভার কথা আমার জানা নেই। পালামৌ ভ্রমন পড়ার পরে আমার আক্ষেপ রয়ে গেছে লেখক কেন অতি দ্রুত এই উপন্যাস শেষ করে দিলেন। গাধা অনেকটা রম্য ধাঁচের রচনা। আমি পড়া শুরু করলাম। ভালই লাগছে।
|
|
আনন্দমঠ - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
বঙ্কিমচন্দ্রের নাম করতে গিয়ে তার একটি বইয়ের ডাউনলোড লিংক না দিয়ে পারছি না। ডাউনলোড করে নিন বঙ্কিমচন্দ্রের বিখ্যাত উপন্যাস আনন্দমঠ। যদিও হিন্দু জাতীয়তাবাদীতায় ঠাসা উপন্যাস কিন্তু এই উপন্যাসে দেশপ্রেম স্বার্থক ভাবে পরিস্ফুটিত হয়েছে। এই উপন্যাসের বন্দে মা তরম গানটি ভারতের অন্যতম গণ সংগীতের মর্যাদা পেয়েছে। বইটি একাধিক ভাষায় অনুবাদিত হয়েছে।
|
|
অবরোধবাসিনী - বেগম রোকেয়া
আমার প্রথম জীবনে পড়া বই গুলোর মধ্যে এটি অন্যতম একটি বই সেকথা আমি শুরুতেই বলেছি। নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার অসামান্য সৃষ্টি অবরোধবাসিনী
। তৎকালীন মুসলিম সমাজে অবরোধ প্রথা এবং কেবলমাত্র অবরোধ প্রথার দোহাই
দিয়ে নারীদের চারদেয়ালের মাঝে বন্দী করে রাখার নিয়ম চালু ছিল । লেখিকা
কতগুলো ঐতিহাসিক ও চাক্ষুষ সত্য ঘটনা আমাদের সামনে তুলে ধরেছেন ।
|
|
রংপেন্সিল - হুমায়ুন আহমেদ
এই প্রজন্মের এমন অনেক বই পড়ুয়া পাঠকের জন্ম হয়েছে হুমায়ুন আহমেদের বই পড়ে। তাই হুমায়ুন আহমেদ সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছুই নেই। অল্প বর্ণনার মাধ্যমে তিনি চমৎকার ভাবে একটি দৃশ্যপট পাঠকের চোখের সামনে ফুঁটিয়ে তুলতে পারেন। রংপেন্সিল নিঃসন্দেহে একটি ভালো গ্রন্থ।
|
 |
আলালের ঘরের দুলাল - প্যারীচাঁদ মিত্র
বাঙালির লেখা প্রথম বাংলা উপন্যাস। প্যারীচাঁদ মিত্র তথা টেকচাঁদ ঠাকুরের লেখা প্রথম বাংলা উপন্যাস। যদিও নানা সীমাবদ্ধতায় উপন্যাসটি স্বার্থক উপন্যাসের মর্যাদা পায়নি। প্রথম স্বার্থক বাংলা উপন্যাস বঙ্কিমচন্দ্রের দুর্গেশ নন্দিনী। আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের বর্ণনা দূর্বল হলেও আমার কাছে কিন্তু পড়তে মন্দ লাগেনি।
|
|
ঝাঁসির রানী
ঝাঁসির রানী লক্ষ্মীবাঈ। অসম সাহসী, হার না-মানা
দৃঢ় মানসিক শক্তির অধিকারী এক নারী। তিনি জন্মগ্রহণ করেন ১৮৩৫ সালের ১৯
নভেম্বর। লক্ষ্মীবাঈ ১৮ বছরে বিধবা হন এবং ২২ বছরে মৃত্যুবরণ করেন। ১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দের ১৭ জুন ভারতের গোয়ালিয়রে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামে নিহত হন ঝাঁসির রানী লক্ষ্মীবাঈ। "আমি আমার ঝাঁসি ছেড়ে দিব না!”
“কেউ আমার ঝাঁসি কেড়ে নিতে পারবে না; যার সাহস আছে সে চেষ্টা করতে পারে!”
ঝাঁসির দুঃসাহসী রানী এই আহ্বানের মাধ্যমেই ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ
শুরু করেছিলেন। ইংরেজদের বিতাড়িত করে ঝাঁসির রানী তার রাজ্য শাসন শুরু করেছিলেন।
|
|
ভারতের চিত্রকলা - অশোক মিত্র
ভারতের ইতিহাস খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় সহস্রাব্দ
থেকে খ্রিষ্টীয় বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগ পর্যন্ত ভারতীয় উপমহাদেশের
প্রাচীন, মধ্যযুগীয় ও প্রাক-আধুনিক কালের ইতিহাস। ভারতের চিত্রকলার ইতিহাসও প্রাচীন। চিত্রকলা অতি সহজে বিনষ্ট হয় বিধায় পাল-পূর্ব যুগের কোন চিত্রালঙ্কৃত পান্ডুলিপি পূর্ব ভারতে পাওয়া যায় নি। উত্তর ভারতের মথুরা ছিল নাগ উপাধিধারী রাজাদের একটি অন্যতম কেন্দ্র এবং এ মথুরা নগর ছিল ভারতীয় ধ্রুপদী শিল্পরীতির উৎসস্থল।
|
|
প্রাচীন স্থাপত্য
প্রাচীন বস্তু, প্রাচীন স্থাপত্য এসবের প্রত্যেকেরই কমবেশী আগ্রহ আছে। প্রাচীন স্থাপত্য যদি বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন ও ইতিহাস সমৃদ্ধ হয় তবে সবারই কৌতুহলের শেষ থাকেনা। প্রাচীন স্থাপত্য সম্পর্কে কিছু লিখতে যাওয়া যে একটি দুঃসাধ্য ও সাহসী ব্যাপার তা বলার অপেক্ষা রাখেনা।
|
আজকের মত এটুকুই। আমার ফেসবুক পাতায় সদস্য হওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়ে আজকের মত বিদায় নিচ্ছি। ধন্যবাদ। https://www.facebook.com/pondogol
Post a Comment